নিজস্ব প্রতিবেদক:
পারিবারিক বিরোধের জেরে সাথী আক্তার (৩৮) নামে এক তরুণীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে হৃদয় মিয়া (৩২) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শামসুদ্দিন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের নির্দেশে বলা হয়, জরিমানা অনাদায়ে বা আদায়কৃত অর্থ আসামির সম্পত্তি বিক্রি করে নিহতের পরিবারকে হস্তান্তর করতে হবে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হৃদয় মিয়া নগরীর আকুয়া জুবলী কোয়ার্টার এলাকার জয়নাল মিয়ার ছেলে। অন্যদিকে নিহত সাথী আক্তার একই এলাকার মৃত মোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।
মামলার বিবরণ ও এজাহার থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৯ মে মোবাইল ফোনে কল দেওয়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে পরদিন রাত আনুমানিক ২টার দিকে হৃদয় মিয়া নগরীর আকুয়া জুবলী কোয়ার্টার এলাকায় সাথী আক্তারের ভাড়া বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে। সেখানে সে ধারালো ছুরি দিয়ে সাথীকে উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই সাথীর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর নিহতের বোন শিউলি বাদী হয়ে হৃদয় ও বাবুল নামে দুজনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আনোয়ার আজিজ টুটুল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও নিহতের পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করেছে।