যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের চুক্তির মূল বিষয়গুলো কী, জানালেন কূটনীতিক

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির আওতায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াবে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আরও আলোচনার পথ প্রশস্ত হবে। আজ শুক্রবার (১২ জুন) চুক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কূটনীতিকের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

ওই কূটনীতিক জানান, উভয় পক্ষ খসড়া সমঝোতা স্মারকে সম্মতি দিয়েছে, তবে এতে এখনও চূড়ান্ত স্বাক্ষর বাকি রয়েছে। এ চুক্তিটির নাম হবে ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’।

কূটনীতিকের তথ্য অনুযায়ী চুক্তির কিছু মূল বিষয় নিচে তুলে ধরা হলো—

চুক্তি স্বাক্ষরের পর লেবাননসহ ‘সব ফ্রন্টে’ ৬০ দিন, অর্থাৎ দুই মাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হবে।

হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে পুনরায় খুলে দেওয়া হবে এবং যাতায়াতের জন্য ইরান কোনো মাশুল আরোপ করবে না। এটি জ্বালানি ও বাণিজ্যিক পণ্যের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করবে। চুক্তি স্বাক্ষরের ৩০ দিন পর এই জলপথ দিয়ে যান চলাচল যুদ্ধ-পূর্ববর্তী পর্যায়ে ফিরে আসবে।

ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়া হবে এবং চুক্তির অগ্রগতি ও সদিচ্ছার সঙ্গে অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকার ভিত্তিতে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে। তবে এতে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত হিসেবে রয়েছে দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার। এ ছাড়া উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কূটনীতিক অবশ্য জানাননি, এই চুক্তিতে ইরানের জব্দকৃত শত শত কোটি ডলারের তহবিল ছাড়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত আছে কি না; এটি ছিল ইরানের একটি প্রধান দাবি, যা চুক্তিটি আটকে রেখেছিল বলে জানা গেছে। ওই কূটনীতিক বলেন, আলোচনার শেষ দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালির অবস্থা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করে অন্য জানার সুযোগ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *