সায়েম মাহমুদ,পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের পটিয়ায় পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে পূর্বশত্রুতার জের ধরে বড় ভাইকে হামলার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এতে নাঈম উদ্দীন নামে এক ব্যক্তি রক্তাক্ত হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মঠপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ছোট ভাই সেলিম উদ্দীনসহ কয়েকজনকে বিবাদী করে পটিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নাঈম উদ্দীন। তারা দুজনই ওই এলাকার মৃত আবু হানিফের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে ছোট ভাই সেলিম উদ্দীনের সঙ্গে বড় ভাই নাঈম উদ্দীনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার বিকেলে সেলিম উদ্দীনসহ অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার বসতবাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেছেন নাঈম উদ্দীন।
নাঈম উদ্দীনের অভিযোগ, হামলাকারীদের দেখে প্রাণভয়ে তিনি ঘরের ভেতরে আশ্রয় নেন। পরে তারা জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। একপর্যায়ে বাধা দিতে গেলে অভিযুক্ত ছোট ভাই সেলিম উদ্দীন লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মাথা রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় অন্যরা তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে আহত করেন। পরে আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে গেলে তার পরনের লুঙ্গির গোছা থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা নাঈম উদ্দীনকে উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে বুধবার রাতে পটিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
এ বিষয়ে পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ছোট ভাই সেলিম উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘আমার দখলীয় দোকানের বাইরে কাজ করতে গেলে বড় ভাই নাঈম উদ্দীন বাধা দেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হলে তিনি পড়ে গিয়ে আঘাত পান। হামলার ঘটনা সত্য নয়,