নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ড্রেজিং শাখাকে আধুনিকায়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির আওতায় আনতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধান প্রকৌশলী এ এইচ এম ফরহাদুজ্জামান। পেশাগত দক্ষতা, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং সততার স্বাক্ষর রেখে সরকারি বিধিবিধান অনুসরণের মাধ্যমে তিন দফা পদোন্নতি পেয়ে তিনি আজকের এই পদে উন্নীত হয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ড্রেজিং বিভাগের প্রচলিত নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির পথ রুদ্ধ করে তিনি যে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করেছেন, তা প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক গতিশীলতা বৃদ্ধি করেছে। তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, তাঁর এই সততা ও সংষ্কারমুখী পদক্ষেপের কারণে কোণঠাসা হয়ে পড়া একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মনগড়া তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
সম্প্রতি প্রকৌশলী ফরহাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ওয়ান-ইলেভেনের সময় ট্রান্সফোর্সের মাধ্যমে দায়ের করা একটি পুরোনো মামলা এবং সম্পদ সংক্রান্ত বিষয়ে যে নেতিবাচক তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। প্রকৃত পক্ষে, আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মহামান্য হাইকোর্টের আদেশে তিনি উক্ত মামলা থেকে সম্পূর্ণভাবে অব্যাহতি পেয়েছেন। তাঁর পেশাগত যোগ্যতা, চাকরির স্বচ্ছ রেকর্ড এবং প্রশাসনিক দক্ষতা মূল্যায়ন করেই কর্তৃপক্ষ আইনানুগভাবে তাঁকে পদোন্নতি প্রদান করেছে। একইভাবে, তাঁর সম্পদ নিয়ে যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে তা বাস্তবতার বিপরীত; পারিবারিকভাবে প্রাপ্ত সম্পদই তাঁর সম্পদের মূল ভিত্তি, যার যাবতীয় হিসেব ও সরকারি নথি সম্পদ বিবরণীতে যথাযথভাবে বিদ্যমান।
যেকোনো সরকারি কর্মকর্তার চরিত্রহননের পূর্বে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অংশ হিসেবে প্রাসঙ্গিক নথি, আদালতের আদেশ এবং পদোন্নতির সরকারি প্রজ্ঞাপন যাচাই করা আবশ্যক। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করা আর তা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। প্রকৌশলী ফরহাদুজ্জামান গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আহ্বান জানিয়েছেন যেন নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের মাধ্যমে সত্য তুলে ধরা হয়। বিআইডব্লিউটিএর সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতে, নিজেদের অপকর্ম ঢাকা দিতে এবং ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতেই একটি গোষ্ঠী সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে এমন একজন সৎ ও কর্মদক্ষ প্রকৌশলীকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সুতরাং, একপাক্ষিক বা অনুমাননির্ভর তথ্যের ভিত্তিহীন প্রচার বন্ধ করে, সঠিক প্রামাণ্য নথির ওপর ভিত্তি করেই সংবাদ পরিবেশন করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মূল দাবি।