অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ প্রস্তুতির ঘাটতি যুব দলে

স্পোর্টস ডেক্স :

পুরো ম্যাচে বাংলাদেশের পোস্টে উজবেকিস্তান শট নিয়েছে আটটি। এর মধ্যে দুটি থেকে গোল আদায় করেছে স্বাগতিকরা। অথচ ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষের পোস্টে একটি শটও মারতে পারেননি বাংলাদেশের যুবারা। ম্যাচে খেলোয়াড়দের মধ্যে নিবেদনের ঘাটতি ছিল। ম্যাচ জয়ের কোনো তাড়া ছিল না। প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স ও সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশুর দ্বন্দ্বের প্রভাব পড়েছে খেলায়।

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মতো বড় আসরের জন্য যে প্রস্তুতি নেওয়ার কথা, তা নিতে পারেনি লাল-সবুজের দলটি। উজবেকিস্তানের কাছে ২-০ গোলের পরাজয়ে মূল পর্বে খেলার পথে বড় ধাক্কা খেয়েছেন রাজ চৌধুরী-মাহি খানরা। তাসখন্দে আগামীকাল বৃহস্পতিবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

বয়সভিত্তিক এ প্রতিযোগিতার জন্য যশোরের শামস-উল-হুদা একাডেমিতে এক মাসের মতো ট্রেনিং করে বাংলাদেশ দল। যশোরেই কোচ জোন্সের সঙ্গে সহকারী কোচ মিশুর দ্বন্দ্বের সূচনা হয়। পরে ঢাকার একটি হোটেলে হাতাহাতিতে জড়ান দুই কোচ। এর মধ্যে নিজের নিরাপত্তাহীনতার কথা বলে টিম হোটেলে পুলিশ ডেকেছিলেন ব্রিটিশ কোচ জোন্স।

দুই কোচের বিরোধটা দলের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তার সঙ্গে ছিল প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে না পারা। একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় খেলতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল প্রস্তুতি হিসেবে খেলেছে বাংলাদেশ আর্মি ও ফর্টিস এফসির বিপক্ষে। অথচ বাংলাদেশের গ্রুপে থাকা উজবেকিস্তান, ভারত ও সিরিয়া বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে ম্যাচ খেলেছে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে দলের যে অবস্থা, তাতে মাঠের বাইরের সমস্যাই বড় আকার ধারণ করেছে। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ডাগআউটে ছিলেন না সহকারী কোচ মিশু। অথচ ডাগআউটে দাঁড়ানোর জন্য অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ছিল তাঁর গলায়। জোন্সের সঙ্গে সম্পর্কটা যে ভালো হয়নি, তার জ্বলন্ত উদাহরণ মিশুর গ্যালারিতে বসে থাকা।

সংবাদটি শেয়ার করে অন্য জানার সুযোগ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *