প্রেমে পড়ার কথা স্বীকার করলেন জাহ্নবী, জানালেন প্রেমিকের নাম

বিনোদন ডেক্স :

বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর ও শিখর পাহাড়িয়াকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও দুজনের কেউ-ই আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পর্ক নিয়ে কোনো কথা বলেননি। তবে বিষয়টি ধামাচাপা থাকেনি। তারা বিভিন্ন সময় নিজেদের মতো করে প্রেমের ইঙ্গিত দিয়ে গেছেন।

জাহ্নবী ও শিখর পাহাড়িয়ার পরিচয় বহু পুরোনো। সেই কিশোর বয়স থেকেই একে অপরকে চেনেন তারা। ২০১৬ সালে প্রথম তাদের প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেলেও ২০১৮ সালে জাহ্নবী কাপুর প্রথম সিনেমা ‘ধড়ক’ মুক্তির পর তাদের বিচ্ছেদের খবর সামনে আসে।

তবে ২০২৩ সাল থেকে পার্টি, ছুটি কাটানো— এমনকি  অনন্ত আম্বানির বিয়ের অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন জায়গায় তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। এরপর থেকেই তাদের সম্পর্ক আবারও আলোচনায় উঠে আসে।

তবে এটাই জাহ্নবীর প্রথম ইঙ্গিত নয়; ২০২৪ সালে বাবা বনি কাপুরের সিনেমা ‘ময়দান’ দেখার সময় শিখু লেখা একটি নেকলেস পরে হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী। এ ছাড়া ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে কথোপকথনের সময় ভুল করে শিখরের নাম নিজের স্পিড ডায়ালের তালিকায় থাকার বিষয়টিও প্রকাশ করে ফেলেছিলেন জাহুবী কাপুর। কিন্তু এবার সেটি যেন আরও খোলামেলা জানান দিলেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি বোন অংশুলা কাপুরের বিয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন জাহ্নবী কাপুর। বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানের একাধিক ছবি সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন জাহ্নবী কাপুর। ছবিগুলো দেখেই ভক্ত-অনুরাগীদের চোখ আটকে যায়। সেখানে দেখা যায়, ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার তৈরি রেশমি শাড়ি ও স্ট্র্যাপলেস ব্লাউজে নজর কাড়া জাহ্নবী। অভিনেত্রী তার পোশাকের চেয়েও বেশি আলোচনায় আসেন তার হাতে আঁকা মেহেদি পরা নিয়ে।

ভক্ত-অনুরাগীদের চোখ তার মেহেদির নকশায়। খুঁটিয়ে দেখলে বোঝা যায়, সূক্ষ্মভাবে লেখা রয়েছে প্রেমিক শিখর পাহাড়িয়ার ডাকনাম ‘শিখু’। আর এই  ইঙ্গিতই এখন নেটিজেনদের মধ্যে প্রেমের গুঞ্জন ভাইরাল।

মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সুশীলকুমার শিন্ডের নাতি শিখর পাহাড়িয়া। তিনি একজন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারী। লন্ডনের রিজেন্টস ইউনিভার্সিটি থেকে গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টে পড়াশোনা করেছেন শিখর। এর পাশাপাশি গেমিং ও অবকাঠামো খাতেও তার ব্যবসায়িক উদ্যোগ রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করে অন্য জানার সুযোগ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *