চার বিয়ে-বিচ্ছেদের পর জেনিফার লোপেজের উপলব্ধি

বিনোদন ডেক্স :

বিশ্বনন্দিত কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজের জীবনে বারবার প্রেম এসেছে। বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন চারবার। ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক সম্পর্কের উত্থান-পতন দেখার পর তার উপলব্ধি, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া মানেই ব্যর্থতা নয়; বরং সেটিই হতে পারে জীবনের নতুন ও আরও ভালো অধ্যায়ের শুরু।

জেনিফার লোপেজের এমন জীবনদর্শনে অবাক হয়েছেন অনেকে। বিয়ে ও বিচ্ছেদ তাঁর দেওয়া পরামর্শ ‘অদ্ভুদ’ ও ‘উদ্ভট’ বলতেও দ্বিধা করছেন না নেটিজেনরা।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে ভারতের আনন্দবাজার অনলাইন জানিয়েছে, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিয়ে-বিচ্ছেদ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন হলিউড তারকা জেনিফার লোপেজ।

তাঁর কথায়, সম্পর্কের ভাঙনকে ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে তা উদযাপন করা উচিত। সমাজের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ‘কারও সম্পর্ক ভেঙে গেলে তাঁকে সান্ত্বনা না দিয়ে ‘অভিনন্দন’ বলুন। কারণ, যিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের জন্য আগামী দিনে দুটি মানুষ ভালো থাকবেন।

তবে একাধিকবার বিয়ে করা এবং সম্পর্কের ইতি টানা লোপেজের এই পরামর্শ মানতে নারাজ নেট দুনিয়ার বাসিন্দাদের অনেকে। যদিও নেটিজেনরা তাঁর জীবনদর্শন কীভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করবেন, তা নিয়ে মোটেও ভাবেননি লোপেজ; বরং নিজের বিষয়ে সোজাসাপ্টা কথা বলাই স্বভাব এই অভিনেত্রীর।

তিনি জানিয়েছেন, কীভাবে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ঘটেছে। এও স্বীকার করেছেন, মন ভাঙার পরেই তিনি আরও পরিণত হয়েছেন।

বলেছেন, ‘মানসিক দিক থেকে, আবেগের দিক থেকে আমার হৃদয় ভাঙার পর আমার মনেরও বিকাশ ঘটেছে। আমার অবশ্য মনে হয় শুধু প্রেমে নয়, কাজের ক্ষেত্রেও ব্যর্থতা আমায় এই শিক্ষা দিয়েছে।’

প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালে ওজানি নোয়ার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়, যা এক বছরেরও কম সময় টিকেছিল। ২০০১ সালে ক্রিস জুড নামের এক শিল্পীকে বিয়ে করেন এবং ২০০৩ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর ২০০৪ সালে গায়ক মার্ক অ্যান্থনিকে বিয়ে করেন তিনি। এই ঘরে তার দুটি যমজ সন্তান রয়েছে। ২০১৪ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। সবশেষ দীর্ঘ ২০ বছর আগে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়া প্রেমিক বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে ২০২১ সালে পুনরায় সম্পর্কে জড়ান ২০২২ সালে বিয়ে করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তাঁদের সেই সংসারও টেকেনি।

সংবাদটি শেয়ার করে অন্য জানার সুযোগ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *