নাফরিজা শ্যামার সিদ্ধান্তে কাজ ছাড়াই ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের জেলা হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পে আসবাবপত্র সরবরাহের কাজকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে কাজ না করেই বিল উত্তোলনের পথ তৈরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক নাফরিজা শ্যামার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, কাজ শুরুর আগেই বিপুল অঙ্কের অর্থ ছাড়ের পেছনে কমিশন বাণিজ্যের প্রভাব রয়েছে এবং এ অর্থের একটি অংশ বিদেশে অবস্থানরত কর্মকর্তার কাছে ডলারে পৌঁছে দেওয়ার কথাও ঠিকাদারদের জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন জেলা হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও সংস্কারের জন্য সরকারের একটি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় হাসপাতালগুলোর জন্য বিপুল পরিমাণ আসবাবপত্র, চিকিৎসা-সহায়ক উপকরণ এবং অন্যান্য সরঞ্জাম ক্রয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আসবাবপত্র সরবরাহের দায়িত্ব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুটি সরকারি প্রকৌশল সংস্থাকে দেয়। এর মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ওপর ন্যস্ত করা হয় প্রায় ৩০০ কোটি টাকার আসবাবপত্র সংগ্রহ ও সরবরাহের দায়িত্ব।

সংশ্লিষ্ট নথি ও সূত্রমতে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাঠের কারখানা বিভাগ-১ সম্প্রতি প্রায় ১৫০ কোটি টাকার আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। অন্যদিকে কাঠের কারখানা বিভাগ-২ থেকেও পৃথকভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। কিন্তু বিস্ময়করভাবে দুই বিভাগের টেন্ডার কার্যক্রম পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই প্রকল্পের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি ক্রয়বিধি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি, চুক্তি সম্পাদন এবং সরবরাহ কার্যক্রমের সঙ্গে অর্থ ছাড়ের সম্পর্ক থাকে। সেখানে টেন্ডার চূড়ান্ত না হয়েই বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার ঘটনা নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই অর্থ ছাড়ের জন্য এক ধরনের তাড়াহুড়া তৈরি করা হয়। আগামী ৩০ জুন অর্থবছর শেষ হলেও সরকারি হিসাব নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ার কারণে ২৩ জুনের মধ্যেই অর্থ বরাদ্দ ও বিল সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করার চাপ ছিল। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, প্রকল্প পরিচালক নাফরিজা শ্যামা সম্প্রতি বিদেশ সফরে যান। তার বিদেশ যাত্রার আগেই গণপূর্ত অধিদপ্তরের অনুকূলে ১০০ কোটি টাকার বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই বরাদ্দের পেছনে কমিশন আদায়ের একটি সমঝোতা কাজ করেছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট একটি অংশে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে যে, এ বরাদ্দের বিপরীতে নির্দিষ্ট হারে কমিশন আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সূত্রগুলোর দাবি, সাধারণত বড় প্রকল্পে অর্থ ছাড় বা বরাদ্দের ক্ষেত্রে কিছু অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ অতীতে শোনা গেলেও এবার ঘটনাটি আরও প্রকাশ্য রূপ পেয়েছে। গণপূর্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নির্বাহী প্রকৌশলী নাকি প্রকল্প পরিচালকের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ঠিকাদারের কাছ থেকে তিন শতাংশ হারে অর্থ দাবি করেছেন। ঠিকাদারদের তিনি জানিয়েছেন, প্রকল্প পরিচালকের বিদেশ সফরের ব্যয় এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় তাকে ডলারে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এমন বক্তব্যের কারণে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন, দরপত্র মূল্যায়ন ও কার্যাদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক সমঝোতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যারা অতিরিক্ত অর্থ দিতে রাজি হয়েছেন তাদের প্রতি নমনীয়তা দেখানো হলেও যারা আপত্তি তুলেছেন তারা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে দেশের অন্যতম বৃহৎ ফার্নিচার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হাতিল ফার্নিচারকে কেন্দ্র করে এমন অভিযোগ সামনে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, গত ৮ জুন পর্যন্ত আহ্বান করা মোট ১২টি দরপত্রের মধ্যে ৮টিতেই সর্বনিম্ন দরদাতা ছিল হাতিল ফার্নিচার। সরকারি ক্রয়নীতির আলোকে সাধারণত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কার্যাদেশ দেওয়ার কথা। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, মূল্যায়ন কমিটি হাতিল ফার্নিচারকে মাত্র একটি কাজের কার্যাদেশ দিয়েছে এবং বাকি সাতটি কাজের সিদ্ধান্ত ঝুলিয়ে রেখেছে।

হাতিলের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, তারা অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে সর্বনিম্ন দর প্রদান করলেও তাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। এর ফলে সরকারের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে, কারণ কম মূল্যে কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অন্যভাবে কার্যাদেশ দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের কোম্পানি সেক্রেটারি মো. রেজাউল করিম গত ৮ জুন গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ই/এম) আশরাফুল হকের কাছে লিখিত আবেদন করেন। আবেদনে তিনি দরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি প্রকল্প পরিচালক, প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার পরও কার্যাদেশ না দেওয়া সরকারি ক্রয়নীতির পরিপন্থী। সেখানে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাদের কাজ থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিষয়টি পরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের কাছেও উপস্থাপন করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর মন্ত্রী প্রথমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী এবং ইএম বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হককে তলব করেন। তাদের কাছে পুরো বিষয়টির ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। পরে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রীর কার্যালয়ে আরও একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সেই বৈঠকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহাবুবুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তারা মন্ত্রীকে জানান, দরপত্র প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়নি এবং সব কার্যক্রম সরকারি বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, কর্মকর্তাদের এই ব্যাখ্যাই মন্ত্রী গ্রহণ করেছেন।

তবে অভিযোগকারীদের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের দাবি, টেন্ডার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে অনিয়মের সুস্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে। মূল্যায়ন, কার্যাদেশ এবং অর্থ বরাদ্দ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কাজ শুরুর আগেই ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া এবং সর্বনিম্ন দরদাতাকে উপেক্ষা করার ঘটনাকে তারা দুর্নীতির গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে দেখছেন।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলেছে, টেন্ডার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত কোন প্রতিষ্ঠান কাজ পাবে তা নিশ্চিত নয়। এমন অবস্থায় বিপুল অঙ্কের অর্থ ছাড় দেওয়ার যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া কঠিন। কারণ কাজের পরিমাণ, সরবরাহের সময়সূচি এবং কার্যাদেশের বিষয়গুলো তখনও পুরোপুরি নির্ধারিত হয়নি। ফলে বরাদ্দের এই সিদ্ধান্তের পেছনে বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অন্যদিকে প্রকল্প পরিচালক নাফরিজা শ্যামার বিরুদ্ধে ওঠা কমিশন গ্রহণের অভিযোগও আলোচনায় এসেছে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত হয়নি, তবুও বিভিন্ন পর্যায়ে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বরাদ্দ অনুমোদনের বিনিময়ে তিন শতাংশ কমিশন আদায় করা হয়েছে। আর সেই অর্থ সংগ্রহে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছেন গণপূর্তের এক নির্বাহী প্রকৌশলী।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক নাফরিজা শ্যামার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে জানান যে তিনি বিদেশ সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। পরে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, এটি কোনো অনিয়ম নয়। তবে কেন এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং এর প্রয়োজনীয়তা কী ছিল সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

পরে পুনরায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারি ছুটির দিনেও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এরপর তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযোগ উঠেছে, পুরো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থবছরের শেষ সময়ে সরকারি অর্থ দ্রুত ছাড় করে পরবর্তীতে বিল সমন্বয়ের একটি সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। কাজের বাস্তব অগ্রগতি না থাকলেও বরাদ্দ ও বিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য দরপত্র মূল্যায়ন, কার্যাদেশ প্রদান এবং অর্থ ছাড়ের প্রতিটি ধাপ পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকা প্রয়োজন। কোনো ধাপে অস্বাভাবিক তাড়াহুড়া বা অস্বচ্ছ সিদ্ধান্ত দেখা গেলে তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা উচিত। অন্যথায় রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় এবং প্রতিযোগিতামূলক ক্রয়ব্যবস্থার ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে কাজ শুরুর আগেই ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, দরপত্রে সর্বনিম্ন দরদাতাকে বঞ্চিত করার অভিযোগ, কমিশন আদায়ের দাবি এবং বিদেশ সফরের সঙ্গে অর্থ লেনদেনের সম্পর্ক রয়েছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা জরুরি।

প্রকল্পটির আর্থিক আকার এবং স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্ব বিবেচনায় বিষয়টি জনস্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ জেলা হাসপাতাল উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্দেশ্য দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন করা। সেখানে যদি প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুতেই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে, তাহলে পুরো প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

বর্তমানে অভিযোগ, পাল্টা ব্যাখ্যা এবং বিভিন্ন সূত্রের তথ্যের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে অভিযোগের পূর্ণ সত্যতা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, আর্থিক লেনদেন, দরপত্র মূল্যায়ন প্রতিবেদন এবং বরাদ্দ অনুমোদনের প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে আনুষ্ঠানিক তদন্তের দাবি জোরালো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধান হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে এবং রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যবহারে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

সংবাদটি শেয়ার করে অন্য জানার সুযোগ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *