ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছেন নাঈমুল ইসলাম ফরিদপুরী

 

জসিম উদ্দিন, ‎স্টাফ রিপোর্টার:ফরিদপুর জেলার  মধুখালীর উপজেলার  আসন্ন ১ নং কামারখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ধর্মীয় আলোচক ও সমাজসেবক নাঈমুল ইসলাম ফরিদপুরী। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় আলোচনার মাধ‍্যমে সঠিক পথ দেখানো ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান সহ  সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই মানুষটি এবার সরাসরি জনপ্রতিনিধি হয়ে ইউনিয়নের উন্নয়নে মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

‎নাঈমুল ইসলাম  বলেন, তিনি রাজনীতি বা জনপ্রতিনিধিত্বকে কখনো ব্যক্তিগত লাভের মাধ্যম হিসেবে দেখেন না। বরং মানুষের সেবা করার মানসিকতা থেকেই তিনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একজন সফল ধর্মীয় আলোচক হিসেবে মহান সৃষ্টিকর্তা তাকে  সফলতা দিয়েছেন এবং তিনি সেই অর্জনে সন্তুষ্ট। এখন তিনি নিজের অভিজ্ঞতা, সামর্থ্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কামারখালী  ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান।

‎তিনি প্রতিবেদককে জানান, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার অনেক আগে থেকেই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মসজিদ, মাদ্রাসা,ঈদগা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও তরুণ ক্রিড়াবিদদের নিজ অর্থায়নে  সহযোগিতা করে চলেছি। এছাড়াও ঈদ, পূজা ও বিভিন্ন উৎসবে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশা পাশি এলাকার উন্নয়নে নিজের সাধ্যমতো কাজ করে চলেছি।

‎তার মতে, একটি আধুনিক ও সুন্দর সমাজ গঠনের জন্য প্রয়োজন সবার অংশগ্রহণ এবং ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্ব। তিনি কামারখালী ইউনিয়নকে একটি চাঁদাবাজ, মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংমুক্ত নিরাপদ সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে তিনি ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার কথা বলেন।

‎নাঈমুল ইসলাম তিনি আরো বলেন, “মাদক শুধু একজন মানুষকে নয়, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদকের বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। যুব সমাজকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারলেই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।”
‎ ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে তিনি কাজ করবেন। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিএফ, ভিজিডিসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে বলে জানান তিনি।

‎স্থানীয়দের মতে, নাঈমুল ইসলাম  একজন সহজ-সরল ও মানবিক এবং ধার্মীক মানুষ। সুখে-দুঃখে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ তার নেতৃত্বে একটি আধুনিক, উন্নত ও বৈষম্যহীন কামারখালী ইউনিয়নের স্বপ্ন দেখছে।

‎সবশেষে নাইমুল ইসলাম  ইউনিয়নবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “আমি আপনাদের সন্তান, আপনাদের ভাই ও আপনাদের মানুষ। আপনাদের সমর্থন পেলে ইনশাআল্লাহ একটি সুন্দর, আধুনিক ও মানবিক কামারখালী ইউনিয়ন গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো এবং শাষক নয় সেবক হতে চাই!!

সংবাদটি শেয়ার করে অন্য জানার সুযোগ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *