স্পোর্টস ডেক্স :
শাস্তি দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় দেশের ৯ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেনি বিসিবির জেনারেল কাউন্সিল। গতকাল শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি ইনটিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল বিষয়টি জানান। তবে নজরদারিতে রাখার মতো যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ ইনটিগ্রিটি ইউনিটের হাতে রয়েছে বলে দাবি তাঁর। বিসিবি ইনটিগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল কাউন্সিলর ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান জানান, সন্দেহের তালিকায় থাকা দেশের ৯ ক্রিকেটারকে নজরদারিতে রাখার বিষয়টি অবহিত করবেন মার্শাল। গতকালই ইমেইলে ওই খেলোয়াড়দের বার্তা দেওয়ার কথা। পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া গেলে যে কোনো সময় নজরদারিতে থাকা ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হবে বলেও জানান জেনারেল কাউন্সিলর ব্যারিস্টার মাহিন।
বিপিএলের একাদশ আসরে ফিক্সিংয়ের বিষয়গুলো অনুসন্ধান করার জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিটি ৯০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন জমা দেয় বিসিবিতে। সেখান থেকে তথ্য নিয়ে ইনটিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান মার্শাল দেশি-বিদেশি এক দল ক্রিকেটার, কর্মকর্তা ও কোচিং স্টাফের সদস্যকে দ্বাদশ বিপিএলে সম্পৃক্ত না করার সুপারিশ করেছিলেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কাছে। ওই তালিকায় এনামুল হক বিজয়, শফিউল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আলাউদ্দিন বাবু, আল আমিন হোসেন, মিজানুর রহমান, আরিফুল হক, মোহাম্মদ নিহাদুজ্জামান, সানজামুল ইসলামকে বিপিএলের ড্রাফটে রাখা হয়নি। যদিও বিপিএল ছাড়া ঘরোয়া বাকি লিগ বা টুর্নামেন্টে খেলেছেন তারা। জাতীয় দলে খেলছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল তাদের ব্যাপারে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ৯ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলতে বাধা নেই। মার্শালও বলছেন কোনো খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা নেই, ‘ ওই সুপারিশ কেবল বিপিএল দ্বাদশ আসরের জন্য প্রযোজ্য ছিল। বর্তমানে কোনো খেলোয়াড়ের ওপর কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ নেই।’ তবে জেনারেল কাউন্সিলর জানান, সন্দেহভাজনরা নজরদারিতে থাকবেন,‘মার্শাল বা বিসিবি ৯ ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেনি। একটি মামলা থেকে নামগুলো বাইরে এসেছে। অকাট্য প্রমাণ না থাকায় অভিযুক্ত ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়নি। তবে সন্দেহের তালিকায় থাকার মতো যথেষ্ট প্রমাণ থাকায় নজরদারিতে রাখা হবে ওই খেলোয়াড়দের।’