ঘনকালো চুল পেতে ব্যবহার করুন প্রাকৃতিক কন্ডিশনার, কী সেটি

লাইফস্টাইল :

পূজায় ইনস্ট্যান্ট চকচকে ও কোমল চুল পেতে ঘরোয়া টোটকা হিসেবে কাঁচা ডিমের চেয়ে মেথি ব্যবহার করা অনেক বেশি কার্যকর। কারণ মেথির দানা সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখলে তা একটি পিচ্ছিল ও জেলির মতো আকার ধারণ করে, যা চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে এবং কিউটিকল মসৃণ করে আলো প্রতিফলনে সাহায্য করে। ফলে চুল অনেক বেশি চকচকে দেখায়। আর চুলের যত্নে মেথি এবং ডিম ব্যবহৃত হয় ঘরে ঘরে। কারণ উপকারিতা একাধিক।

বাধ মানছে না চুল। বারবার জট পড়ছে। ছোট ছোট চুলগুলো মাথায় যেন সিংহের কেশর তৈরি করেছে। পছন্দের সাজসজ্জায় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।— এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই হেয়ার স্পা করিয়ে নেন। কিন্তু তা সাময়িকভাবে চুলকে কোমল করে তোলে ঠিক, কিন্তু কয়েক দিন পর আবারও একই হাল। তখন সহায় হতে পারে ঘরোয়া কিছু টোটকায়।

কিন্তু তাতেও ধন্দে লাগে। কোন উপায়টি বেশি কার্যকর? নানাবিধ উপকরণের তুলনামূলক আলোচনার মাঝে বিবাদ বাধে মেথি ও ডিম নিয়েও। চুলের যত্নে এ দুই উপাদান ব্যবহৃত হয় ঘরে ঘরে। যদি প্রধান লক্ষ্য হয় চুলকে মসৃণ, কোমল এবং চকচকে দেখানো, তাহলে মেথিই তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকে। কারণ ভেজানো মেথির পিচ্ছিল উপাদান চুলের ওপর একটি মসৃণ আবরণের সৃষ্টি করে এবং চুলকে চকচকে দেখায়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, মেথি ও ডিমের কার্যকরী উপকারিতা—

১. মেথির হেয়ার মাস্ক

মেথির দানায় রয়েছে নানা উদ্ভিজ্জ রাসায়নিক উপাদান। দীর্ঘদিন ধরেই চুলের পরিচর্যায় মেথির ব্যবহার হয়ে আসছে। দানাগুলো সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখলে একটি পিচ্ছিল ও জেলির মতো আকার ধারণ করে। তার সঙ্গে মেথির দানাগুলো বেটে নিয়ে মাস্ক তৈরি করা হয়। আর এই বৈশিষ্ট্যের জন্যই মেথি দিয়ে তৈরি মিশ্রণ চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের মতো কাজ করতে পারে। মেথির হেয়ার মাস্ক প্রয়োগ করে তার পর মাথা ধুয়ে নিলে চুল তুলনামূলকভাবে নরম, মসৃণ হয় এবং সহজে আঁচড়ানো যায়। চুলের বাইরের স্তর বা কিউটিকল যত মসৃণ থাকে, তত সমানভাবে আলো প্রতিফলিত হয়। ফলে চুল দেখতে আরও চকচকে লাগে।

 

২. ডিমের হেয়ার মাস্ক

ডিমে প্রচুর প্রোটিন ও অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। সে কারণে চুলের জন্য তৈরি নানা ধরনের মিশ্রণে প্রোটিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে থাকা বায়োটিন, ভিটামিন এ, ডি, ই চুলকে মজবুত ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। কিন্তু ডিম খেলে শরীর যে পুষ্টি পায়, কাঁচা ডিম সরাসরি চুলে লাগালে সে ফল পাওয়া যায় না। আবার কাঁচা ডিমের মাস্ক ব্যবহার করলেই ক্ষতিগ্রস্ত চুলের গঠন মেরামত হয়ে যাবে— এমন প্রমাণ নেই।

সংবাদটি শেয়ার করে অন্য জানার সুযোগ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *