অভিমত অপ্রয়োজনীয় কলেজ একীভূত করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অনেক স্থানে অপ্রয়োজনীয় কলেজ তৈরি হয়েছে। এসব কলেজের নিজস্ব সম্পদ রয়েছে, শিক্ষক রয়েছে অথচ ছাত্র নেই। ওই এলাকার জনসংখ্যা অনুযায়ী ভবিষ্যতেও ছাত্র হওয়ার সম্ভাবনা নেই। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট বোর্ডের সমন্বয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের শক্তিশালী কমিটি করে কিছু কলেজকে একীভূত করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ওই কমিটিকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তারা নিয়ম-নীতিমালা মেনে কলেজ একীভূত করবে, বাকি শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় কলেজে বদলির ব্যবস্থা করবে।

অতীতে খুলনা সুন্দরবন ও আদর্শ কলেজ একীভূত হয়ে সুন্দর আদর্শ মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নজির আছে। ওই কলেজটি সরকারি হয়েছে এবং ফলের দিক থেকে এখন শীর্ষে অবস্থান করছে।
বেসরকারি কলেজশিক্ষকদের বেতনের শতভাগ সরকার দিলেও সঠিক তদারকি হয় না। যার কারণে শিক্ষকদের কেউ রাজনীতি, কেউ ব্যবসা আবার কেউ কলেজ রেখে অন্য পেশায়ও জড়িয়ে পড়ছেন। সম্মিলিত উদাসীনতার ভুক্তভোগী হচ্ছে ছাত্ররা।

যেহেতু শিক্ষকদের বেতন পুরোটা এবং আংশিক ভাতা সরকার দিচ্ছে– এ জন্য দায়দায়িত্ব গভর্নিং বডির ওপর ছেড়ে না দিয়ে সরকারকে এসব কলেজের নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে। শিক্ষা বোর্ড, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, স্থানীয় জেলা প্রশাসন সম্মিলিতভাবে নজরদারির মধ্যে আনলে ফলাফলের করুণ চিত্র পাল্টে যাবে। বিশেষ করে নিয়মিত ক্লাস ও সিলেবাস শেষ করা কঠোর নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে। এগুলো করতে পারলে অল্প সময়ে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

এটাও সত্য, বেসরকারি কলেজের শিক্ষকরা শতভাগ বেতন পায়, কিন্তু তাদের পদোন্নতি নেই। ভালো শিক্ষকদের প্রণোদনা, ভালো ফল হলে পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করে অন্য জানার সুযোগ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *