নিজস্ব প্রতিবেদক:
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি) ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক অস্বচ্ছতা, পদায়ন বাণিজ্য ও ঠিকাদারি প্রভাবের অভিযোগ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে কর্মকর্তা শিমুলকে কেন্দ্র করে এই বিতর্ক নতুন করে সামনে এসেছে। ইইডির একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি পক্ষ এবং অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে—তার কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে, অথচ প্রশাসনের দৃশ্যমান নীরবতা নতুন কৌতূহল তৈরি করেছে।
প্রভাবশালী পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ
বিভিন্ন সূত্রের দাবি, শিমুল নিজেকে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দিয়ে একটি শক্তিশালী প্রভাববলয় গড়ে তুলেছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিভিন্ন মহলে নিজেকে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী–এর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দেন। একইভাবে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে জিএম কাদের–এর নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠে এসেছে।
উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে সংযুক্ত দাবি
অভিযোগ রয়েছে, শিমুল নিজেকে বর্তমান সরকারের উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। এসব পরিচয় ব্যবহার করে তিনি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, পদায়ন ও মাঠপর্যায়ের কাজের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন—এমন দাবি করেছেন অধিদপ্তরের ভেতরের একাধিক কর্মকর্তা।
পদায়ন ও ঠিকাদারি খাতে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ
ইইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ বলছে, শিমুলকে ঘিরে পদায়ন বাণিজ্য, প্রকল্প বাস্তবায়নে পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার মতো অভিযোগ বহুদিন ধরেই রয়েছে। যদিও এসব অভিযোগ প্রমাণের জন্য আনুষ্ঠানিক তদন্ত এখনো শুরু হয়নি।
আওয়ামিলীগ পন্থী সিন্ডিকেট কে নতুন করে সক্রিয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন শিমুল
তিনি নিয়মিত আওয়ামিলীগ এর নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করেন এমন অভিযোগ ও আছে তার বিরুদ্ধে।
প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন
বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে—একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন প্রশাসন এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্তের পদক্ষেপ নেয়নি। কর্মকর্তাদের মতে, নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল এবং বিতর্কিত করে তুলছে।
তদন্ত দাবির সুর
ইইডির একাধিক কর্মকর্তা মনে করছেন—অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের জন্য স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলেও তারা মত দিয়েছেন।
এবং আওয়ামিলীগ পন্থী এই শিমুল এর বিরুদ্ধে দ্রুতই ব্যবস্থা না নিলে আবার ও ইইডির ভিতরে সক্রিয় হয়ে উঠবে আওয়ামিলীগ এর সিন্ডিকেট যা বর্তমান সরকারের সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুন্ন করতে ভূমিকা রাখবে। ইইডির কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাবি দ্রুতই শিক্ষামন্ত্রী যেন শিমুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন।
এ বিষয়ে প্রকৌশলী শিমুল সাহেব সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।