৩০ বছরের খরা কাটিয়ে ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন অ্যাস্টন ভিলা

স্পোর্টস ডেক্স :

যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ রাজা প্রিন্স উইলিয়ামের সামনে ইউরোপা লিগের সম্রাট হিসেবে নিজের আসনটা আরেকবার পাকাপোক্ত করলেন উনাই এমেরি। জার্মান ক্লাব ফ্রেইবুর্গকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে উয়েফা ইউরোপা লিগের নতুন চ্যাম্পিয়ন হয়েছে অ্যাস্টন ভিলা। সবমিলিয়ে ৩০ বছর পর কোনো বড় ট্রফি এবং ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় দীর্ঘ ৪৪ বছরের শিরোপাখরা কাটানোর ঐতিহাসিক রাতে ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে গ্যালারিতে বুনো উল্লাসে মেতে ওঠেন প্রিন্স উইলিয়ামও।
বুধবার (২০ মে) দিবাগত রাতে তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলের বেসিকতাস পার্কে ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য দেখিয়েছে ওয়াটকিন্স-মার্টিনেজদের অ্যাস্টন ভিলা। ম্যাচের ৪১ মিনিটে ইয়োরি টিলেমান্সের দুর্দান্ত ভলিতে ডেডলক ভাঙে ইংলিশ ক্লাবটি। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া। বিরতির পর ৫৭ মিনিটে মর্গান রজার্স ফ্রেইবুর্গের জালে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়ে ভিলার বড় ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন।
গত সপ্তাহেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলকে ৪-২ গোলে হারিয়ে আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা নিশ্চিত করেছিল ভিলা। লিগের সেই আত্মবিশ্বাস ইউরোপের মঞ্চেও ধরে রাখল তারা। শিরোপা জয়ের মাধ্যমে মৌসুমের শেষটা দারুণভাবে রাঙাল এমেরির দল।স্প্যানিশ এই মাস্টারমাইন্ড কোচ হিসেবে ছয়বার ইউরোপা লিগের ফাইনালে উঠে পাঁচবারই সফল হলেন। কেবল ২০১৮-১৯ মৌসুমে আর্সেনালের ডাগআউটে থেকে একবার রানার্সআপ হয়েছিলেন তিনি। ভিলা ছাড়া স্প্যানিশ ক্লাব সেভিয়ার হয়ে তিনটি এবং ভিয়ারিয়ালের হয়ে একবার এই শিরোপা জিতেছেন এমেরি।

পছন্দের ক্লাব অ্যাস্টন ভিলার খেলা দেখতে এর আগেও সরাসরি মাঠে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে প্রিন্স উইলিয়ামকে। তবে এবারই প্রথম তিনি ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার ফাইনালে প্রিয় ক্লাবের শিরোপা জয়ের ঐতিহাসিক সাক্ষী হলেন। এর আগে সর্বোচ্চ সাফল্য হিসেবে ভিলাকে ১৯৯৬ সালের লিগ কাপ জিততে দেখেছিলেন তিনি।

গ্যালারিতে প্রিয় দলের জয়ে দু’হাত উঁচিয়ে নাচার পাশাপাশি গলা ফাটিয়ে উল্লাস করতে দেখা যায় তাকে। ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) প্রিন্স উইলিয়াম লিখেছেন, ‘বিস্ময়কর এক রাত! এই ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত খেলোয়াড়, টিম স্টাফসহ সবাইকে অনেক অভিনন্দন।

সংবাদটি শেয়ার করে অন্য জানার সুযোগ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *