নিজস্ব প্রতিবেদক:
বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবে জ্বালানি খাতে বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে সংস্থাটির সঙ্গে আলোচনা চলছে। দুই পক্ষের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তি নিয়েও কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২৬ সালের বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণের শুরুতে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে জ্বালানি খাতে বাড়তি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। এ চাপ সামাল দিতে একধরনের আর্থিক সুরক্ষা প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। ভবিষ্যতেও সংস্থাটি বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা শুধু বিদ্যমান তহবিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বৈশ্বিক অস্থিরতা ও জ্বালানি খাতের চলমান সংকটের প্রভাব মোকাবিলায়ও সহযোগিতা প্রয়োজন। এসব বিষয় নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে কাঠামোগত চুক্তি নিয়ে আলোচনা ও প্রক্রিয়াগত কাজ চলছে। দুই পক্ষের অংশীদারত্বের আওতায় কীভাবে সহযোগিতা আরও কার্যকর করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে।
সরকারের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চলমান উদ্যোগগুলোর সামঞ্জস্যের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে এ ক্ষেত্রে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে তার।
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন। এ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ সঠিক পথেই এগোচ্ছে।