নিজস্ব প্রতিবেদক:
জনতা ব্যাংক পিএলসির মতিঝিল লোকাল অফিস ও প্রধান শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, ঋণ বিতরণে অনিয়ম এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে পদে থাকার সুযোগ নিয়ে মালেক ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে নিজের ব্যক্তিগত লাভের হাতিয়ার বানিয়েছিলেন।
উত্থাপিত মূল অভিযোগসমূহ:
-
ঋণ অনুমোদনে কমিশন বাণিজ্য: নতুন ঋণ বিতরণ কিংবা ফাইল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা কমিশন হিসেবে দাবি করার অভিযোগ রয়েছে।
-
সেবা খাতের বিলেও অবৈধ লেনদেন: জামানত মূল্যায়নকারী সার্ভেয়ার, প্যানেল আইনজীবী এবং ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বিল পরিশোধের সময়ও তিনি কমিশন আদায় করতেন।
-
দুবাই শাখার অর্থ আত্মসাৎ: বিদেশে দায়িত্ব পালনকালে দুবাই শাখা থেকে প্রায় ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।
-
বিপুল অবৈধ সম্পদ: ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি প্রায় ১০০ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে জানা গেছে। ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাট ও বাড়িসহ বিশাল সম্পদের মালিক তিনি।
তদন্ত ও হস্তক্ষেপের দাবি
পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং জনতা ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। দুবাই শাখার আর্থিক লেনদেন, বিগত দিনে অনুমোদিত ঋণ ও বিলের নথিপত্র এবং তার অর্জিত সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখলে প্রকৃত সত্য প্রকাশ পাবে বলে তারা মনে করছেন।
তবে এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য ডিজিএম আব্দুল মালেকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।